দীর্ঘ দুই দশক পরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন হলো ধর্ষকের
দি নিউজ লায়ন ; দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বহরমপুর আদালত। পাশাপাশি দোষী সাব্যস্ত লালগোলার বাসিন্দা ঐ ফারমুজ আলিকে আদালত এই নির্দেশ দিয়ে ১০হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। অনাদায়ে তাকে আরও পাঁচ বছর জেলে থাকতে হবে। ডিস্ট্রিক্ট সেশন জজ মহানন্দ দাস এর এই রায়ের ফলে নির্যাতিতা ও তার পড়শীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে মঙ্গলবার।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ লালগোলার চাচন্ড এলাকার ওই ব্যক্তি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে এক নাবালিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ করে।পরবর্তীতে সেই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় ঘটনা জানাজানি হয়।নির্যাতিতার পরিবার ও পড়শীরা ফারমুজ কে ওই নাবালিকার সঙ্গে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়।কিন্তু কোনমতেই তাকে বিয়ে করতে রাজী হয়নি অভিযুক্ত ফারমুজ।
এমন অবস্থায় ওই নির্যাতিতা বছর খানেক পরে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। পাশাপাশি ফারমুজ আলী নামের ১৯৯৮ সালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে শুরু হয় কেস। এমনকি ডিএনএ টেস্ট পর্যন্ত করা হয় ওই নাবালিকার। অবশেষে দীর্ঘ কুড়ি বছরের বেশি সময় পরে নানান তথ্য প্রমাণ খুঁটিয়ে দেখে ফারমুজ কে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারক।
সরকারি আইনজীবী নিমাইচন্দ্র কুণ্ডু বলেন, এক নাবালিকাকে ওই অপরাধী ধর্ষণ করে। নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তার সন্তানও হয়। পরে ওই যুবকের বিরুদ্ধে লালগোলা থানায় অভিযোগ হয়। পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। বেশ কয়েক বছর ধরে মামলা চলার পর এদিন আদালত ওই রায় দিয়েছে"।

Post a Comment